Fri, Aug 14, 2026
 Network
Breaking News
নানুরে রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে সাদা থান,ফুলের মালা সহ হুমকী চিঠি। আতঙ্কে পরিবার! ভবানী ভবনে মুখোমুখি জেরায় প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায় মদ্যপ যুবকের তাণ্ডব আরামবাগে! বধূকে নিজের স্ত্রী দাবি করে গেটে লাথি বন্যা মোকাবিলায় খানাকুলে সচেতনতামূলক মকড্রিল হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রায় ব্যবসায়ীদের হাতে জাতীয় পতাকা, কোচবিহারে স্বাধীনতা দিবসের আবহ

নানুরে রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে সাদা থান,ফুলের মালা সহ হুমকী চিঠি। আতঙ্কে পরিবার!

Editor: The News Express By Editor: The News Express August 13, 2026
 নানুরে রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে সাদা থান,ফুলের মালা সহ হুমকী চিঠি। আতঙ্কে পরিবার!
নানুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে সাদা থান ও ফুলের মালা সহ হুমকি চিঠি, তীব্র চাঞ্চল্য

বীরভূমের নানুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কুড়গ্রামে এক বিজেপি কর্মীর বাড়ির সামনে সাদা থান কাপড়, ফুলের মালা ও হুমকি চিঠি উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে আঙুল তুলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী গোড়া মণ্ডলের পরিবার।

পারিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০ সাল থেকে তাঁরা বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধে দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। অতীতে তাঁদের বাড়িতে বোমাবাজির মতো ঘটনাও ঘটেছিল বলে দাবি পরিবারের।

সাম্প্রতিক সময় রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ফের তাঁদের টার্গেট করা হয়েছে।

গতকাল সকালে গোড়া মণ্ডলের পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, বাড়ির দরজার সামনে একটি সাদা থান কাপড়, ফুলের মালা এবং একটি হুমকি চিঠি রেখে যাওয়া হয়েছে। চিরকুটে লেখা ছিল প্রাণনাশের পরোক্ষ হুমকি।

পরিবারের সদস্য জানান: "আমরা ২০২০ সাল থেকেই বিজেপির সাথে যুক্ত। সেই কারণেই আমাদের ক্রমাগত ভয় দেখানো হচ্ছে। সকালে দরজার সামনে এই ধরনের জিনিস দেখে আমরা ভীষণ আতঙ্কে রয়েছি। আমরা চাই পুলিশ দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করুক।"

ঘটনার পরেই নানুর থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাদা থান, মালা এবং চিঠিটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। নানুর থানার তরফে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বিরোধীদের মনে ভয় সৃষ্টি করতেই তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ধরনের নৃশংস মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করছে। যদিও স্থানীয় শাসকদলের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করা হয়েছে, এটি তাদের দলের ভেতরের বা ব্যক্তিগত কোনো বিবাদের জের হতে পারে, যার সাথে দলীয় রাজনীতির সম্পর্ক নেই।