নানুরে রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে সাদা থান,ফুলের মালা সহ হুমকী চিঠি। আতঙ্কে পরিবার!•ভবানী ভবনে মুখোমুখি জেরায় প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়•মদ্যপ যুবকের তাণ্ডব আরামবাগে! বধূকে নিজের স্ত্রী দাবি করে গেটে লাথি•বন্যা মোকাবিলায় খানাকুলে সচেতনতামূলক মকড্রিল•হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রায় ব্যবসায়ীদের হাতে জাতীয় পতাকা, কোচবিহারে স্বাধীনতা দিবসের আবহ•
পিংলা:
ভারতীয় জনতা পার্টির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে ব্লকে ব্লকে শুরু হয়েছে 'হর ঘর তিরঙ্গা' যাত্রা। আজ কলকাতার রাজপথে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে যে তিরঙ্গা যাত্রার সূচনা হয়েছিল, তার আঁচ এসে পৌঁছাল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলাতেও। পিংলায় বিজেপির এই তিরঙ্গা যাত্রা কার্যত এক বিশাল জনজোয়ারে রূপ নেয়।
সোমবার বিকেলে পিংলার কালীতলা এলাকা থেকে এই বর্ণাঢ্য পদযাত্রা শুরু হয়ে ডাকবাংলো মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
জাতীয় পতাকা ও মনীষিদের ছবি হাতে আট থেকে আশি, সমস্ত বয়সের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে দেশাত্মবোধক শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা পিংলা এলাকা।
এই সুসজ্জিত বর্নাঢ্য মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাস, সম্পাদক গোবিন্দ দাস, জেলা বিজেপি নেতা শতদল নাগ এবং রাজ্য মহিলা মোর্চার সম্পাদিকা অন্তরা ভট্টাচার্যসহ ব্লক ও জেলার একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব।
মিছিল শেষে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করে দাবি করেন, "বিগত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনে সাধারণ মানুষ ঠিকমতো স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করতে পারতেন না। এক তীব্র ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রাখা হয়েছিল। তবে রাজ্যে পরিবর্তন ও বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম বাংলার মানুষ সম্পূর্ণ ভয়মুক্ত ও স্বাধীনভাবে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবেন।"
আগামী ১১ থেকে ১৩ই আগস্ট পিংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে জাতীয় পতাকা তোলার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি বিশেষভাবে আবেদন জানান নেতৃত্ব।
পিংলার এই কর্মসূচির সাফল্য নিয়ে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাস বলেন, "পিংলায় এর আগে এত মানুষকে একসাথে রাস্তায় নেমে জাতীয় পতাকা হাতে মিছিলে যোগ দিতে দেখা যায়নি। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এই সাধারণ মানুষের ঢল এক নতুন ইতিহাস ও মাত্রা যোগ করল।" স্থানীয় রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট মহলের মতে, স্বাধীনতা দিবসের আগেই বিজেপির দলীয় পতাকা বিহীন এই বিশাল জমায়েত এলাকায় রাজনৈতিক পারদ অনেকটাই বাড়িয়ে দিল।