নানুরে রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে সাদা থান,ফুলের মালা সহ হুমকী চিঠি। আতঙ্কে পরিবার!•ভবানী ভবনে মুখোমুখি জেরায় প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়•মদ্যপ যুবকের তাণ্ডব আরামবাগে! বধূকে নিজের স্ত্রী দাবি করে গেটে লাথি•বন্যা মোকাবিলায় খানাকুলে সচেতনতামূলক মকড্রিল•হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রায় ব্যবসায়ীদের হাতে জাতীয় পতাকা, কোচবিহারে স্বাধীনতা দিবসের আবহ•
রাস্তায় স্টিয়ারিং হাতে যিনি বসে আছেন, তাঁর দৃষ্টি কতটা প্রখর? দীর্ঘক্ষণ গাড়ি চালানোর ধকল সামলানোর মতো শারীরিক ফিটনেস আদৌ আছে তো? ট্রাফিক সিগন্যাল বা গতির নিয়মের মতোই এক চালকের সুস্থতা যে পথ নিরাপত্তার অন্যতম বড় শর্ত, তা আরও একবার প্রমাণ করল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ।
‘বিশেষ সড়ক নিরাপত্তা সপ্তাহ–২০২৬’ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে আজ, রবিবার (৯ আগস্ট) তেমাথানীতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দেখা গেল। সবং ও পিংলা থানা এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক গার্ডের যৌথ পরিচালনায় তেমাথানি বিশ্রামাগারে আয়োজন করা হয় এক নিঃশুল্ক চক্ষু ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির।
সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই শিবিরে মূলত গাড়িচালক ও সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হয়।
প্রায় ১০০ জন চালক ও সাধারণ মানুষের চোখ পরীক্ষা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। কেবল স্বাস্থ্য পরীক্ষাই নয়, চালকদের উৎসাহিত করতে প্রদান করা হয় বিশেষ পুরষ্কার।
হেলমেট ছাড়া বাইক চালকদের ট্রাফিক আইনের পাঠ দেওয়ার পাশাপাশি তুলে দেওয়া হয় সুরক্ষার প্রতীক—নতুন হেলমেট।
পুলিশ প্রশাসন জানায়- "রাস্তায় একটানা গাড়ি চালাতে গিয়ে অনেক সময়ই চালকরা নিজেদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়ার সুযোগ পান না। চোখে সামান্য অস্পষ্টতা বা শারীরিক ক্লান্তিই বড় কোনো দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই চালকদের চাঙ্গা ও সচেতন রাখতেই আমাদের এই প্রয়াস।"
এই বিশেষ কর্মসূচির গুরুত্ব বাড়াতে তেমাথানির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সবং বিধানসভার বিধায়ক অমল পন্ডা, পিংলা বিধানসভার বিধায়ক স্বাগতা মান্না, ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ সভাপতি
অমূল্য মাইতি সহ জেলা ও পিংলা এবং সবং থানার একাধিক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক।
উল্লেখ্য, গত ৩ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই ‘বিশেষ সড়ক নিরাপত্তা সপ্তাহ’ শেষ হচ্ছে আজ। সপ্তাহজুড়ে হেলমেট-সিটবেল্ট পরার গুরুত্ব, গতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সচেতনতার বার্তা ছড়ানোর পর, শেষ দিনে স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে সামনে রেখে পুলিশ প্রশাসন স্পষ্ট করে দিল—"নিয়ম মেনে চলুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদে ফিরুন।"