রাহুল প্রধানমন্ত্রী হলে আপত্তি নেই, ‘ইগো’ ভুলে INDIA জোটে বার্তা মমতার•নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: মোতায়েন ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৭০০ পুলিশ কর্মী•আজ থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু ‘সেবা সেতু অভিযান’, ব্লকে ব্লকে তৎপর প্রশাসন।•উৎসবের শুরুতেই ধাক্কা: কলকাতায় এক লাফে ৭০ টাকা বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম, মধ্যবিত্তের স্বস্তি রান্নার গ্যাসে•পিংলায় আবগারি দফতরের যৌথ অভিযান, নষ্ট ৩০০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ•
আজ থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু ‘সেবা সেতু অভিযান’, ব্লকে ব্লকে তৎপর প্রশাসন।
By By The News Express October 02, 2026
Share:
সাধারণ মানুষের দুয়ারে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে আজ থেকে সমগ্র রাজ্য জুড়ে শুরু হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘সেবা সেতু অভিযান’। কলকাতা পুরসভা এলাকা, রাজ্যের সমস্ত পৌরসভা এবং প্রতিটি ব্লকে বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা বণ্টন করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। ব্লকে ব্লকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই কর্মসূচীকে সফল করতে তৎপর প্রশাসন।
সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য জুড়ে চর্চার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’। এই প্রকল্প ঘিরে বেশ কিছু জেলায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ও বিক্ষোভের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। প্রধানত তালিকা সংক্রান্ত ত্রুটি, নতুন আবেদন গ্রহণ ও সুবিধা পৌঁছানো নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতাই ছিল এই অসন্তোষের কারণ। নবান্ন সূত্রের খবর, রাজ্য সরকার এই ক্ষোভকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে। সে কারণেই ‘সেবা সেতু’ ক্যাম্পগুলিতে অন্নপূর্ণা যোজনার যাবতীয় জট কাটাতে বিশেষ কাউন্টার ও অগ্রাধিকারের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে, যাতে যোগ্য ব্যক্তিরা দ্রুত তাঁদের প্রাপ্য সুবিধা পান।
অন্নপূর্ণা যোজনার পাশাপাশি বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা সহ কেন্দ্রের বিভিন্ন কল্যাণমূলক জনমুখী প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা একই ছাদের তলায় মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দেওয়াই এই অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য। আবেদনপত্র জমা নেওয়া থেকে শুরু করে নাম সংশোধন—সব কাজের তদারকি করবেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
অভিযান সফল করতে প্রতিটি ব্লকে ক্যাম্পের পরিকাঠামো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং হেল্পডেস্ক তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। সাধারণ মানুষ যাতে প্রশাসনিক জটিলতা ছাড়াই সহজে নিজেদের সমস্যার সুরাহা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই ব্লক ও পুর প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। ডেক্স ও বসার জায়গা থেকে শুরু করে পানীয় জলের ব্যবস্থা—সবদিক খতিয়ে দেখে নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে না হয়।