রাহুল প্রধানমন্ত্রী হলে আপত্তি নেই, ‘ইগো’ ভুলে INDIA জোটে বার্তা মমতার•নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: মোতায়েন ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৭০০ পুলিশ কর্মী•আজ থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু ‘সেবা সেতু অভিযান’, ব্লকে ব্লকে তৎপর প্রশাসন।•উৎসবের শুরুতেই ধাক্কা: কলকাতায় এক লাফে ৭০ টাকা বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম, মধ্যবিত্তের স্বস্তি রান্নার গ্যাসে•পিংলায় আবগারি দফতরের যৌথ অভিযান, নষ্ট ৩০০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ•
অষ্টম শ্রেণি থেকেই সাইকেল! 'সবুজ সাথী' বদলে নাম হল 'সারথি', বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
By By The News Express September 30, 2026
Share:
শিক্ষা পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং ছাত্রছাত্রীদের সহায়তা প্রদানে এক বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। জনপ্রিয় সরকারি প্রকল্প 'সবুজ সাথী'-র নাম ও লোগো পরিবর্তন করে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হলো নতুন কর্মসূচি 'সারথি'-র। হাওড়ার ব্যাঁটরা মধুসূদন পাল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এই নতুন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি প্রকল্প বন্ধ না করে বরং তার গুণগত মান আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই নতুন রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।
'সারথি' প্রকল্পের প্রধান আকর্ষণসমূহ:
* অষ্টম শ্রেণি থেকেই সাইকেল: এতদিন মূলত নবম শ্রেণির পড়ুয়ারা সাইকেল পেলেও, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়ারাও এই সুবিধার আওতায় আসবে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় ৫০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজ্যের ১২ লক্ষ ৫৯ হাজার ছাত্রছাত্রীর হাতে সাইকেল তুলে দেওয়া হবে।
* ত্রি-স্তরীয় মান নিয়ন্ত্রণ: সাইকেলের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ত্রি-স্তরীয় মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, যাতে খারাপ রাস্তাতেও শিক্ষার্থীরা নিরাপদে যাতায়াত করতে পারে।
রাজ্যে সাইকেল নির্মাণের পরিকাঠামো তৈরি করতে শিল্প বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে যারা সাইকেল তৈরির কারখানা গড়বে, তাদের চুক্তিভিত্তিক জমি দেওয়ার পাশাপাশি উৎপাদিত সাইকেল কিনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও সরকারের চুক্তির অংশ থাকবে।
রাজ্যের ৮০০টি স্কুলে চালু হবে আধুনিক স্মার্ট ক্লাসরুম, যা পঠনপাঠনকে আরও যুগোপযোগী করে তুলবে।
স্কুলব্যাগের গুণগত মান বৃদ্ধি করা হচ্ছে। পাশাপাশি, স্কুলের পোশাকের রঙ নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিদ্যালয়গুলোকে নিজস্ব স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে, তবে কাপড়ের মান সুনিশ্চিত করবে সরকার নিজেই।
ছাত্রীদের উৎসাহ দিতে 'কন্যারত্ন' প্রকল্পে বর্তমানে প্রাপ্ত ১,০০০ টাকার আর্থিক সহায়তা ২০২৭ সালের মধ্যে বাড়িয়ে ২,০০০ টাকা করা হবে।
শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তনের এই সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত রাজ্যের ছাত্রসমাজকে আরও আত্মবিশ্বাসী ও স্বনির্ভর করে তুলবে বলেই আশা করা হচ্ছে।