Fri, Oct 02, 2026
 Network
Breaking News
রাহুল প্রধানমন্ত্রী হলে আপত্তি নেই, ‘ইগো’ ভুলে INDIA জোটে বার্তা মমতার • নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: মোতায়েন ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৭০০ পুলিশ কর্মী • আজ থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু ‘সেবা সেতু অভিযান’, ব্লকে ব্লকে তৎপর প্রশাসন। • উৎসবের শুরুতেই ধাক্কা: কলকাতায় এক লাফে ৭০ টাকা বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম, মধ্যবিত্তের স্বস্তি রান্নার গ্যাসে • পিংলায় আবগারি দফতরের যৌথ অভিযান, নষ্ট ৩০০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ •

চন্দ্রকোণায় শিলাবতী নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত কৃষি জমি, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন একাধিক গ্রাম

By The News Express By By The News Express September 27, 2026
চন্দ্রকোণায় শিলাবতী নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত কৃষি জমি, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন একাধিক গ্রাম
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা দুই নম্বর ব্লকের জামদান ও গোপালপুর গ্রামের মাঝে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল শিলাবতী নদীর বাঁধ। এর জেরে কৃষিপ্রধান এলাকায় হুহু করে বন্যার জল প্রবেশ করতে শুরু করায় ব্যাপক আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। বাঁধ ভাঙার ফলে ওই এলাকার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী একাধিক গ্রামের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জামদান ও গোপালপুর গ্রামের মাঝের অংশে শিলাবতীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ফলে বাঁধের উপর থাকা প্রধান যাতায়াতের রাস্তাও নদীগর্ভে বা জলের তলায় চলে গেছে। এই বাঁধ ভাঙার ফলেই নদীর উপচে পড়া বন্যার জল তীব্র বেগে স্থানীয় বিস্তীর্ণ কৃষি জমিতে ঢুকতে শুরু করেছে। সদ্য রোপণ করা ফসল জলের তলায় চলে যাওয়ার আশঙ্কায় কপালে হাত পড়েছে এলাকার কৃষকদের।

জামদান, গোপালপুর সহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গ্রামের মানুষ যাতায়াত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজের জন্য এই নদী বাঁধের উপর নির্ভরশীল ছিলেন। রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত পুরোপুরি থমকে গেছে।

হঠাৎ করে নদীর জল লোকালয়ে ও কৃষিজমিতে ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীর জলস্তর বাড়ার কারণে বাঁধের দুর্বল অংশগুলি নিয়ে আগে থেকেই আশঙ্কা ছিল। সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়ার কারণেই এই বিপত্তি ঘটেছে বলে তাঁদের মত।

খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের নজরদারির খবর মিলছে। দ্রুত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু না হলে প্লাবনের পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।