রাহুল প্রধানমন্ত্রী হলে আপত্তি নেই, ‘ইগো’ ভুলে INDIA জোটে বার্তা মমতার•নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: মোতায়েন ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৭০০ পুলিশ কর্মী•আজ থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু ‘সেবা সেতু অভিযান’, ব্লকে ব্লকে তৎপর প্রশাসন।•উৎসবের শুরুতেই ধাক্কা: কলকাতায় এক লাফে ৭০ টাকা বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম, মধ্যবিত্তের স্বস্তি রান্নার গ্যাসে•পিংলায় আবগারি দফতরের যৌথ অভিযান, নষ্ট ৩০০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ•
ভোটে হারের পর কলকাতার বাইরে প্রথম জনসভা মমতার, ‘ভ্যানিশ কুমার’ ও এসআইআর ইস্যুতে কমিশনকে কড়া আক্রমণ শ্রীরামপুর থেকে
By By The News Express September 27, 2026
Share:
ভোটের ফলের পর এই প্রথম কলকাতার বাইরে জেলার মাটিতে বড়সড় জনসভায় অংশ নিলেন অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রীরামপুরের কোর্ট ময়দানে আয়োজিত এই প্রতিবাদ সভায় তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বহু টালবাহানা ও কলকাতা হাইকোর্টের শর্তসাপেক্ষ অনুমতির পর অনুষ্ঠিত এই সভা থেকে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অলআউট আক্রমণ শানান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
তৃণমূল কংগ্রেস বিভক্ত হওয়া এবং ‘ঘাসফুল’ প্রতীক হারানোর পর এটিই সর্বভারতীয় তৃণমূলের প্রথম জনসভা। এদিনের সভা থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯৩ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার ঘটনায় নির্বাচন কমিশনকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। বিশেষ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ‘ভ্যানিশ কুমার’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “ভ্যানিশ কুমারকে যেমন ধরেছি, তেমন অন্যায়কারীদের ধরব। ভ্যানিশ কুমার মাস্ট গো। যতদিন না যাবে, আমাদের আন্দোলন চলবে।” অতীতে অফিসার সীমা খান্নার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে জাতীয় স্তরে বিরোধীদের একজোট হওয়ার ডাক দিয়েছেন মমতা। তিনি জানান, এই ইস্যুতে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবির সঙ্গে তাঁর টেলিফোনে ও চিঠিতে কথা হয়েছে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “ইস্যু এক হলে কোনও দল দেখব না। একসঙ্গে সেই ইস্যুতে লড়তে হবে।”
রাজ্যে পালাবদলের পরবর্তী পরিস্থিতি তুলে ধরে শ্রীরামপুরের সভা থেকে হকার উচ্ছেদ ও কর্মহীনদের দুর্দশার কথা বলেন মমতা। মঞ্চ থেকেই কর্মহীনদের পাশে দাঁড়িয়ে আইনি লড়াইয়ের বার্তা দেন তিনি। পাশাপাশি অন্নপূর্ণা যোজনার বঞ্চনা নিয়েও সরব হন কালীঘাটের তৃণমূল সুপ্রিমো।
সভার আগের রাতে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, তাঁর সভায় সাধারণ মানুষ যাতে যোগ দিতে না পারেন, সেজন্য শ্রীরামপুরের বিভিন্ন বাড়ি থেকে তৃণমূল সমর্থকদের খুঁজে বের করে হেনস্থা ও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
কেন্দ্রীয় শাসকদলকে নিশানা করে সভা থেকে মমতা আরও হুংকার দেন, “ওরা বাংলা দখল করেছে, আমরা দিল্লি দখল করব।”