নানুরে রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে সাদা থান,ফুলের মালা সহ হুমকী চিঠি। আতঙ্কে পরিবার!•ভবানী ভবনে মুখোমুখি জেরায় প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়•মদ্যপ যুবকের তাণ্ডব আরামবাগে! বধূকে নিজের স্ত্রী দাবি করে গেটে লাথি•বন্যা মোকাবিলায় খানাকুলে সচেতনতামূলক মকড্রিল•হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রায় ব্যবসায়ীদের হাতে জাতীয় পতাকা, কোচবিহারে স্বাধীনতা দিবসের আবহ•
গ্রামের উন্নয়নে কোনও খামতি রাখতে চাই না। পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কাজের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা এবং দুর্নীতি নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
বৈঠকে রাজ্যজুড়ে পঞ্চায়েত স্তরে চলা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি ও পারফরম্যান্স নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দফতরের গ্রাম পঞ্চায়েত সচিব, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, রাজ্য ও জেলার একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। এছাড়াও সমস্ত ব্লকের বিডিও, জয়েন্ট বিডিও, এনএস এবং সেক্রেটারিদের নিয়ে বৈঠক হয়।
পঞ্চায়েতস্তরে চলা বিভিন্ন কাজের পারফরম্যান্স, অগ্রগতি এবং কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা ও আলোচনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। যেসব ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স কম রয়েছে, আগামী দু-একদিনের মধ্যেই সেগুলির উন্নতি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বিডিও এবং এসডিওদের সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতির প্রসঙ্গেও কড়া বার্তা দেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী। তিনি জানান, যারা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য নন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই বাড়ির টাকা পেয়েছেন। এমন প্রায় সাড়ে ১২ হাজার মানুষকে নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রায় এক হাজার জন টাকা ফেরত দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, "সব দুর্নীতির হিসাব হবে।" তবে সরকারের মূল লক্ষ্য এখন প্রকৃতভাবে যোগ্য অথচ এতদিন বাড়ি পাননি, তাঁদের কাছে দ্রুত সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। পাশাপাশি দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলবে এবং দফতরের পক্ষ থেকে স্পেশ্যাল অডিট করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বিভিন্ন ব্লকে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বরাদ্দ টাকা পড়ে থাকা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। কীভাবে সেই টাকা দ্রুত এবং সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়, তা আধিকারিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। শৌচালয় নির্মাণ নিয়েও নতুন পদ্ধতির কথা জানানো হয়েছে। আগে শৌচালয় তৈরি করার পর টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও এখন কাজ শুরু করার জন্য প্রথমেই ৫০ শতাংশ টাকা দেওয়া হবে। শৌচালয় সম্পূর্ণ হলে দেওয়া হবে বাকি টাকা। এর ফলে যে সমস্ত জায়গায় শৌচালয় নির্মাণের কাজ বন্ধ রয়েছে, সেগুলি দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।