Fri, Aug 14, 2026
 Network
Breaking News
নানুরে রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে সাদা থান,ফুলের মালা সহ হুমকী চিঠি। আতঙ্কে পরিবার! ভবানী ভবনে মুখোমুখি জেরায় প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায় মদ্যপ যুবকের তাণ্ডব আরামবাগে! বধূকে নিজের স্ত্রী দাবি করে গেটে লাথি বন্যা মোকাবিলায় খানাকুলে সচেতনতামূলক মকড্রিল হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রায় ব্যবসায়ীদের হাতে জাতীয় পতাকা, কোচবিহারে স্বাধীনতা দিবসের আবহ

‘হেস্টিং হাউস’ বদলে হোক ‘শহীদ ক্ষুদিরাম বসু ভবন’: মেদিনীপুরে জেলাশাসকের বাংলোর নাম পরিবর্তনের জোরালো দাবি

Editor: The News Express By Editor: The News Express August 11, 2026
‘হেস্টিং হাউস’ বদলে হোক ‘শহীদ ক্ষুদিরাম বসু ভবন’: মেদিনীপুরে জেলাশাসকের বাংলোর নাম পরিবর্তনের জোরালো দাবি
মেদিনীপুর: আগামী ১১ই আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বকনিষ্ঠ শহীদদের অন্যতম, বীর বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর প্রয়াণ দিবস। আর সেই বিশেষ দিনের ঠিক মুখেই মেদিনীপুর শহরের বুকে থাকা এক ঐতিহাসিক ব্রিটিশ স্মৃতিচিহ্নের নাম বদলের জোরালো দাবি উঠল।

স্বাধীনতার আট দশক পেরিয়ে গেলেও পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসকের সরকারি বাংলোটি আজও 'হেস্টিং হাউস' নামে পরিচিত। এবার সেই ব্রিটিশ শাসকের নাম মুছে ফেলে ভবনটির নামকরণ ‘শহীদ ক্ষুদিরাম বসু ভবন’ করার প্রস্তাব তুললেন মেদিনীপুরের বিধায়ক ডক্টর শংকর কুমার গুচ্ছাইত। এই মর্মে তিনি ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসকের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।

মেদিনীপুরের কেশপুরের মোহবনী গ্রামের ভূমিপুত্র ক্ষুদিরাম বসু মাত্র ১৮ বছর বয়সে হাসিমুখে দেশের জন্য ফাঁসির মঞ্চ বরণ করেছিলেন।

বিধায়ক ডক্টর শংকর কুমার গুচ্ছাইতের মতে: "স্বাধীন ভারতের প্রশাসনের দায়িত্ব হল যারা দেশের জন্য আত্মবলিদান দিয়েছেন, তাঁদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁদের অবদান তুলে ধরা। 'হেস্টিং হাউস'-এর নাম পরিবর্তন করে 'শহীদ ক্ষুদিরাম বসু ভবন' করা হলে তা হবে এই বীর বিপ্লবীর প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধাঞ্জলি।"

বিধায়কের এই চিঠির পর নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসনও। পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা জানিয়েছেন যে, বিধায়কের লিখিত প্রস্তাবটি তিনি হাতে পেয়েছেন। পুরো বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখে পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এখন দেখার, এই প্রয়াণ দিবসের প্রাককালে মেদিনীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের আক্ষেপ মিটিয়ে ব্রিটিশ আমলের প্রতীক সরিয়ে নতুন নামে আত্মপ্রকাশ করে কি না জেলাশাসকের এই ঐতিহ্যবাহী বাংলো সে দিকেই তাকিয়ে জেলাবাসী।