নানুরে রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে সাদা থান,ফুলের মালা সহ হুমকী চিঠি। আতঙ্কে পরিবার!•ভবানী ভবনে মুখোমুখি জেরায় প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়•মদ্যপ যুবকের তাণ্ডব আরামবাগে! বধূকে নিজের স্ত্রী দাবি করে গেটে লাথি•বন্যা মোকাবিলায় খানাকুলে সচেতনতামূলক মকড্রিল•হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রায় ব্যবসায়ীদের হাতে জাতীয় পতাকা, কোচবিহারে স্বাধীনতা দিবসের আবহ•
অবৈজ্ঞানিক ‘সারপ্লাস’ তালিকায় সরকারি স্কুল শিক্ষা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের
By Editor: The News Express August 07, 2026
Share:
রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত শিক্ষকদের ‘সারপ্লাস’ (উদ্বৃত্ত) তালিকার তীব্র প্রতিবাদ জানাল ‘শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ’। সংগঠনের দাবি, সরকারি নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে তৈরি করা এই তালিকা কার্যকর করা হলে রাজ্যের সরকারি ও সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থা মারাত্মক সংকটের মুখে পড়বে এবং চূড়ান্তভাবে মুখ থুবড়ে পড়বে।
উদ্বৃত্ত শিক্ষক ঘোষণার এই পদ্ধতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী জানান, শিক্ষা দপ্তরের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত অবৈজ্ঞানিক। পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যাকে ৩০ দিয়ে ভাগ করে শিক্ষক উদ্বৃত্ত নির্ধারণ করা হচ্ছে, যা বাস্তবসম্মত নয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বিগত কয়েক দশক ধরে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে মাধ্যমিক বা নরমাল সেকশনের শিক্ষকরাই মূলত উচ্চ মাধ্যমিকের ক্লাস সামলে বিদ্যালয়গুলিকে সচল রেখেছেন। এই বাস্তবতাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে ঢালাওভাবে শিক্ষক উদ্বৃত্ত দেখানোর ফলে ভবিষ্যতে প্রতিটি স্কুলে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের চরম ঘাটতি দেখা দেবে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে অভিভাবকরা সরকারি স্কুল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হবেন।
কিংকর অধিকারী আরও বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী— জুনিয়র হাইস্কুলে ন্যূনতম ৬ জন শিক্ষক থাকা বাধ্যতামূলক, মাধ্যমিক পর্যন্ত স্কুলে ন্যূনতম ১২ জন শিক্ষক থাকা আবশ্যক। এই ন্যূনতম শিক্ষক সংখ্যার শর্ত না মেনে অনেক স্কুলেই বিধিবহির্ভূতভাবে শিক্ষকদের সারপ্লাস তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
সংগঠনটির তরফ থেকে ইতিমধ্যেই এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী এবং স্কুল শিক্ষা কমিশনারের (Commissioner of School Education) দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নীতিগত অসঙ্গতি না মেটানো পর্যন্ত এবং শিক্ষা ব্যবস্থার স্বার্থ সুনিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও প্রতিবাদ জারি রাখবে।