নানুরে রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে সাদা থান,ফুলের মালা সহ হুমকী চিঠি। আতঙ্কে পরিবার!•ভবানী ভবনে মুখোমুখি জেরায় প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়•মদ্যপ যুবকের তাণ্ডব আরামবাগে! বধূকে নিজের স্ত্রী দাবি করে গেটে লাথি•বন্যা মোকাবিলায় খানাকুলে সচেতনতামূলক মকড্রিল•হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রায় ব্যবসায়ীদের হাতে জাতীয় পতাকা, কোচবিহারে স্বাধীনতা দিবসের আবহ•
সাধারণত ‘মন্ত্রী’ শব্দটির সাথে চোখের সামনে ভেসে ওঠে চকমকে সরকারি গাড়ির বহর, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কামরায় প্রশাসনিক বৈঠক, কড়া নিরাপত্তার বলয় আর ব্যস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি। কিন্তু সেই চেনা ছবিকে যেন এক মুহূর্তেই বদলে দিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী তথা ভগবানপুরের বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক।
ক্ষমতার চশমা খুলে ফেলে তিনি নেমে এলেন একেবারে সাধারণ কৃষকের ভূমিকায়।
নিজের চাষের জমিতে কাদা-জলে নেমে কৃষকদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ধানের চারা রোপণ করতে দেখা গেল মন্ত্রীকে। মাঠের পর মাঠ সবুজের স্বপ্ন বুনতে সাধারণ এক জন কৃষকের মতোই হাতে তুলে নিয়েছেন ধানের চারা। নেই কোনো বাড়তি আয়োজন, নেই প্রচারের কৃত্রিম চাকচিক্য—ছিল শুধু মাটির খাঁটি গন্ধ আর কৃষকের পরিশ্রমের প্রতি অকৃত্রিম সম্মান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, একজন মন্ত্রী হয়ে এভাবে সরাসরি মাঠে নেমে কৃষিকাজ করা আজকের দিনে সত্যি বিরল ঘটনা। ক্ষমতার উচ্চাসনে বসেও তিনি যে নিজের শিকড়কে ভুলে যাননি, এই দৃশ্য তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
"রাজনীতির ব্যস্ততার মাঝেও মাটির সাথে সম্পর্ক অটুট রাখার এই দৃশ্য সত্যিই নজিরবিহীন। একজন জনপ্রতিনিধি যখন মানুষের কষ্ট বুঝতে মাঠে নামেন, তখন তিনি সত্যিই ঘরের লোক হয়ে ওঠেন।" — মন্তব্য এক স্থানীয় বাসিন্দার।
কৃষিই বাংলার প্রাণ। আর সেই কৃষির সাথেই নিজের সম্পর্ক অটুট রেখেছেন মন্ত্রী শান্তনু প্রামাণিক। কাদা-জলে নেমে কাজ করার এই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ বলছেন— "ক্ষমতার অলিন্দে থেকেও তিনি মাটির মানুষ, যিনি মাঠে নেমে কৃষকের কষ্ট অনুধাবন করতে পারেন, তিনিই প্রকৃত জননেতা।"
রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই ঘটনা নিয়ে নানা মতামত থাকতেই পারে, তবে একটি বিষয়ে সকলেই একমত—ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকেও নিজের মাটির সাথে সম্পর্ক ধরে রাখার এই ছবি নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী, নজরকাড়া এবং প্রশংসনীয়।
একজন মন্ত্রীর এভাবে সাধারণ কৃষকদের সাথে মাঠে নেমে ধান রোপণ করা কি বর্তমান সময়ের অন্য জনপ্রতিনিধিদের জন্য একটি ইতিবাচক ও শিক্ষণীয় বার্তা? ক্ষমতার আসনে বসেও শিকড় না ভোলার এই উদ্যোগকে আপনি কীভাবে দেখছেন?আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত কমেন্ট করে জানান!