কাকদ্বীপে ইলিশের কৃত্রিম প্রজননে আধুনিক RAS ব্যবস্থার উদ্বোধন, গবেষণায় নতুন দিগন্তের সূচনা•অবৈধ বালী পাচার রুখে দিল বিজেপি, পানাগড় সেনা ছাউনির সামনে ব্যাপক উত্তেজনা•সরকারি মহিলা শৌচাগারের পথ দখলের অভিযোগ, ছাতনা থানায় স্মারকলিপি দিলেন স্থানীয় মহিলারা•ঘাটাল থানার সিভিক ভলান্টিয়ারের মানবিকতা, ফিরিয়ে দিল ৪২ হাজার টাকার লটারী•রাতের অন্ধকারে এগরায় স্কুলে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য।•
বাড়লো মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরার চাপ, গ্রেপ্তার আরোও ১
By Reporter Sabyasachi June 26, 2026
Share:
চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন আরও এক অভিযুক্ত। হাওড়া থেকে আশিক কাজী ইমাম নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সুজয় হাজরার উপরও চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছে তদন্তকারী মহল। সুজয় হাজরা বর্তমানে জমি দুর্নীতি ও বেসরকারি হাসপাতালের আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত মামলায় জেল হেফাজতে রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেবরা থানার ত্রিলোচনপুর এলাকার বাসিন্দা প্রসেনজিৎ রায় গত ১০ জুন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, ১২ জনকে স্থায়ী সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রথম দফায় মোট ১২ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়। প্রত্যেক চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা করে দাবি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।
অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা নেওয়ার পর আশিক কাজী ইমাম চাকরিপ্রার্থীদের কলকাতায় নিয়ে গিয়ে খাদ্য ভবন ও বিকাশ ভবনে ঘোরান এবং মেডিক্যাল পরীক্ষার ব্যবস্থাও করেন। পরে তাঁদের হাতে রঙিন ফটোকপি করা নিয়োগপত্র তুলে দিয়ে জানানো হয়, আসল নিয়োগপত্র ডাকযোগে পৌঁছে যাবে।
প্রসেনজিৎ রায়ের দাবি, সুজয় হাজরা তাঁদের জানিয়েছিলেন যে আশিক নবান্নে উচ্চপদস্থ কর্মী হিসেবে কর্মরত। অভিযোগ, ফটোকপি নিয়োগপত্র দেওয়ার পর আরও ১২ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও চাকরি মেলেনি। টাকা ফেরত চাইলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগকারীদের দাবি।
এদিকে, এই আর্থিক প্রতারণা মামলার তদন্তে জেলে গিয়ে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন বিচারক। গ্রেফতার হওয়া আশিক কাজী ইমামকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। ঘটনার তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ।