রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল: পিংলায় গঙ্গাজল ছিটিয়ে পঞ্চায়েত অফিস ‘শুদ্ধিকরণ’ বিজেপি নেতৃত্বের•প্রথম দিনেই মুখ্যমন্ত্রীর ঠাসা কর্মসূচি সকাল থেকে নবান্ন সভাঘরে সাজো সাজো রব•সরকারি চাকরি পাওয়ার বয়স পাঁচ বছর বৃদ্ধি, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর•চালু থাকা কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না! ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর, কী ভাবে দেওয়া হবে, স্পষ্ট করলেন তা-ও•কোন মন্ত্রিত্ব পেলেন দিলীপ ঘোষ? অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিকদেরও হয়ে গেল দফতর বণ্টন•
সুমন মন্ডল, ঘাটাল:
ঘাটাল বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামলী সর্দ্দার শনিবার সকালে ভোট প্রচারে গিয়ে এক ব্যতিক্রমী ছবির জন্ম দিলেন। ঘাটালের বীর সিংহ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচারে বেরিয়ে তিনি পৌঁছে যান কাঁচিয়া গ্রামের শীতলা মন্দিরে, যেখানে চলছিল হরিনামের সংকীর্তন।অনুষ্ঠানে আগত ভক্তদের জন্য প্রসাদ তৈরির প্রস্তুতি চলছিল জোরকদমে। সেই সময় উপস্থিত মহিলাদের সঙ্গে মাটিতে বসে নিজেই আলু কাটতে শুরু করেন শ্যামলী সর্দ্দার। প্রার্থীর এই সহজ-সরল আচরণে উপস্থিত অনেকেই অবাক হন, পাশাপাশি প্রশংসাও করেন।এ প্রসঙ্গে শ্যামলী সর্দ্দার বলেন, বাড়ির গৃহিণীরা যেমন নিত্যদিনের কাজে আলু কাটেন, তিনিও তার ব্যতিক্রম নন। গ্রামের অনুষ্ঠানে মহিলারা যখন প্রসাদ তৈরিতে ব্যস্ত, তখন তাদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাজ করাটা তার কাছে স্বাভাবিক বলেই মনে হয়েছে। তিনি আরও জানান, মানুষের পাশে থাকা এবং তাদের জীবনের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখা তার দায়িত্ব—শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সব সময়ই তিনি মানুষের পাশে থাকতে চান।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, প্রার্থীর এই মানবিক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার প্রচেষ্টা ভোটারদের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।এদিনের প্রচারে স্থানীয় উন্নয়ন, কৃষকদের সমস্যা, রাস্তা-যোগাযোগ এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়গুলি তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প সম্পর্কেও সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করেন।সব মিলিয়ে, এই জনসংযোগ কর্মসূচি শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং সাধারণ মানুষের সঙ্গে হৃদয়ের যোগাযোগ গড়ে তোলার এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উঠে এসেছে।