আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রবিবার রবিবাসরীয় প্রচারে তুঙ্গে উঠল রাজনৈতিক উত্তেজনা। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছেন মিলন প্রধান। ২০০৭ সালের ও অন্যান্য বিভিন্ন মামলায় তিনি বর্তমানে জেলবন্দি রয়েছেন এবং আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁর জেল হেফাজতের মেয়াদ রয়েছে। তবে প্রার্থীর জামিনের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে।
এরই মধ্যে জেলবন্দি প্রার্থীকে সামনে রেখে রবিবাসরীয় প্রচারে নামল কংগ্রেস নেতৃত্ব।
এদিন নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বিশাল মিছিল শুরু হয়, যা বাজার এলাকা হয়ে বাইপাস পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে। এই মিছিলে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের মুক্তির দাবি ও তাঁর সমর্থনে পা মেলান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, সহ রাজ্য ও জেলার অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক।
প্রচার চলাকালীন রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তিনি বলেন, "নন্দীগ্রামে শান্তিপূর্ণ ভোট হলে এবং মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারলে বিজেপি খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে।"
জমি আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি আরও বলেন, "জমি আন্দোলন থেকেই কেউ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, আবার কেউ জেলে গিয়েছেন। মিলন প্রধান কংগ্রেসে থেকেই আন্দোলন করেছিল এবং এখনও দল বদল না করে নন্দীগ্রামের মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ঠিক সেই কারণেই তাঁকে আজ জেলে বন্দি করা হয়েছে।"
এদিন পুলিশ প্রশাসনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করার কড়া বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি মিথ্যা মামলায় কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের হেনস্থা না করার হুঙ্কারও দেন শুভঙ্কর সরকার। নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষ কংগ্রেসের সাথেই রয়েছে এবং যেখানেই যাওয়া হচ্ছে মানুষ আশীর্বাদ করছেন বলে দাবি করেন তিনি।