Fri, Oct 02, 2026
 Network
Breaking News
রাহুল প্রধানমন্ত্রী হলে আপত্তি নেই, ‘ইগো’ ভুলে INDIA জোটে বার্তা মমতার • নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: মোতায়েন ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৭০০ পুলিশ কর্মী • আজ থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু ‘সেবা সেতু অভিযান’, ব্লকে ব্লকে তৎপর প্রশাসন। • উৎসবের শুরুতেই ধাক্কা: কলকাতায় এক লাফে ৭০ টাকা বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম, মধ্যবিত্তের স্বস্তি রান্নার গ্যাসে • পিংলায় আবগারি দফতরের যৌথ অভিযান, নষ্ট ৩০০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ •

ঝাড়গ্রামে গভীর রাতে মাটির দেওয়াল ভেঙে মর্মান্তিক মৃত্যু এক ব্যক্তির, আহত স্ত্রী

By The News Express By By The News Express September 28, 2026
ঝাড়গ্রামে গভীর রাতে মাটির দেওয়াল ভেঙে মর্মান্তিক মৃত্যু এক ব্যক্তির, আহত স্ত্রী

টানা বৃষ্টির জেরে মাটির বাড়ি ভেঙে এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় দেওয়াল চাপা পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক ব্যক্তি এবং গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকের ভালকিশোল গ্রামে।
মৃত ব্যক্তির নাম বিপিন শিং (আনুমানিক বয়স ৫৫)। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে স্বামী-স্ত্রী নিজেদের মাটির বাড়ির ভিতরে ঘুমাচ্ছিলেন। সেই সময় আচমকাই বাড়ির একটি ভারী মাটির দেওয়াল ভেঙে তাঁদের উপর হুড়মুড়িয়ে পড়ে। দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই বিপিন শিংয়ের মৃত্যু হয় এবং তাঁর স্ত্রী গুরুতর আহত হন। ঘটনার সময় পরিবারের অন্য কোনো সদস্য বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না।

বিপর্যয়ের খবর পেয়েই স্থানীয় বাসিন্দারা এবং সাঁকরাইল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। আহত গৃহবধূকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গাগড় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করা হয়।

অন্যদিকে, দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে থাকা বিপিন শিংকে উদ্ধারে নামানো হয় জেসিবি মেশিন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে নিরলস উদ্ধারকাজ চালিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে বাড়ির ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে মাটির দেওয়াল সম্পূর্ণ নরম ও দুর্বল হয়ে যাওয়ার ফলেই এই মারাত্মক ধস নেমেছে। স্ত্রী অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেও স্বামীকে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার পর থেকেই মৃতের শোকার্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জোরালো দাবি তুলেছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। প্রশাসনের কাছে তাঁদের আর্জি, অবিলম্বে মৃত ব্যক্তির পরিবারকে যেন উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।