রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল: পিংলায় গঙ্গাজল ছিটিয়ে পঞ্চায়েত অফিস ‘শুদ্ধিকরণ’ বিজেপি নেতৃত্বের•প্রথম দিনেই মুখ্যমন্ত্রীর ঠাসা কর্মসূচি সকাল থেকে নবান্ন সভাঘরে সাজো সাজো রব•সরকারি চাকরি পাওয়ার বয়স পাঁচ বছর বৃদ্ধি, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর•চালু থাকা কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না! ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর, কী ভাবে দেওয়া হবে, স্পষ্ট করলেন তা-ও•কোন মন্ত্রিত্ব পেলেন দিলীপ ঘোষ? অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিকদেরও হয়ে গেল দফতর বণ্টন•
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১৫ বুথে পুনর্নির্বাচন, ২ মে ফের ভোট—বিতর্কে সরগরম রাজনীতি
By Reporter Sabyasachi May 01, 2026
Share:
দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক বুথে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে মোট ১৫টি কেন্দ্রে আগামী ২ মে, শনিবার সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে।
দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হওয়ার পরই ব্যাপক সংখ্যক অভিযোগ জমা পড়ে কমিশনের কাছে। সূত্রের খবর, ফলতা, ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাট এবং বজবজ—এই চারটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে মোট ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি ওঠে। এর মধ্যে ফলতা থেকেই সর্বাধিক ৩২টি অভিযোগ জমা পড়ে। ডায়মন্ড হারবারে ২৯টি, মগরাহাটে ১৩টি এবং বজবজে ৩টি অভিযোগ দায়ের হয়।
অভিযোগগুলির মধ্যে ছিল ইভিএমে টেপ লাগানো, মেশিনে সুগন্ধি পদার্থ প্রয়োগ, এমনকি ভোটগ্রহণের সময় ক্যামেরা ঢেকে দেওয়ার মতো ঘটনা। আরও গুরুতর অভিযোগ হিসেবে উঠে আসে ভোটারদের পোশাকে স্পাই ক্যামেরা রাখার দাবি, যাতে ভোটদানের পছন্দ নজরদারিতে রাখা যায়।
এই পরিস্থিতিতে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রিপোর্ট জমা দেন। তিনি ফলতার ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করলেও কমিশন শেষপর্যন্ত শুধুমাত্র মগরাহাট পশ্চিম ও ডায়মন্ড হারবারের ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলতা নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।
এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কেন পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন পড়ল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরও ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে সরব।
পুনর্নির্বাচনের ফলাফল আগামী দিনে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলির রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।