রাহুল প্রধানমন্ত্রী হলে আপত্তি নেই, ‘ইগো’ ভুলে INDIA জোটে বার্তা মমতার•নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: মোতায়েন ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৭০০ পুলিশ কর্মী•আজ থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু ‘সেবা সেতু অভিযান’, ব্লকে ব্লকে তৎপর প্রশাসন।•উৎসবের শুরুতেই ধাক্কা: কলকাতায় এক লাফে ৭০ টাকা বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম, মধ্যবিত্তের স্বস্তি রান্নার গ্যাসে•পিংলায় আবগারি দফতরের যৌথ অভিযান, নষ্ট ৩০০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ•
ঋতব্রত সহ ১০ বিধায়কের নাম বাতিলের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মমতা তৃণমূল
By By The News Express September 16, 2026
Share:
নির্বাচনের ফল বের হবার পর থেকেই মমতার তৃণমূল ভাঙা শুরু করেছে। এই মুহূর্তে মমতার সঙ্গে আছে মাত্র কয়েকজন। সেই পরিস্থিতিতেই মমতা ছুটলেন সুপ্রিম কোর্টে। এ নিয়ে মামলা হাই কোর্টে ইতিমধ্যেই দায়ের হয়েছে। কিন্তু বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসুর সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ না করে দু’মাসের সময়সীমা দিয়ে মামলাটি ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গল বেঞ্চের কাছে পাঠিয়েছে। ১৮ অক্টোবর সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা। তার আগে সোমবার সন্ধ্যায় সেই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করল কালীঘাট তৃণমূল। যার আবেদনকারী বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজে। কালীঘাট শিবির তাঁকেই প্রথম বিরোধী দলনেতা বেছেছিল। এ নিয়ে দলের আইনজীবী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দলবিরোধী কাজের জন্য এর আগে যেভাবে সাংসদদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছিল, ঠিক একইভাবে বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজ করার আর্জি জানানো হয়েছে শীর্ষ আদালতে। ঋতব্রত ছাড়া এই তালিকায় রয়েছে অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিম, সন্দীপন সাহা, আখরুজ্জামান, শিউলি সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন, বিপ্লব মিত্র, জাভেদ খান এবং রথীন ঘোষের নাম।
কল্যাণ বলেন, “প্রথমে এই ১০ জনের নাম দেওয়া হয়েছে। বাকিদের আমরা কিছুটা সময় এবং অক্সিজেন দিতে চাইছি। যদি ভুল বুঝতে পেরে তাঁরা এখনও কালীঘাটে ফিরে আসতে চান, তবে দরজা খোলা রয়েছে। না ফিরলে তাঁদের পুরো রাজনৈতিক কেরিয়ারই ধ্বংস হয়ে যাবে।” তবে হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণে একটি মামলা থাকাকালীন একই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়া যায় কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে কল্যাণকে পালটা জবাবে ঋতব্রত বলেছেন, “কটা দিন অপেক্ষা করুন। কাকে কী অক্সিজেন দিচ্ছেন! বহিষ্কারের ফাঁদ পাতা ভুবনে। ধৈর্য ধরুন, টের পাবেন কে কার সাংসদ পদ-বিধায়ক পদ খারিজ করে। আপনার সঙ্গে থাকা বিধায়ক-সাংসদদের পদ থাকবে তো? একটু ধৈর্য ধরুন, জলের মতো সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।”