নানুরে রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে সাদা থান,ফুলের মালা সহ হুমকী চিঠি। আতঙ্কে পরিবার!•ভবানী ভবনে মুখোমুখি জেরায় প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়•মদ্যপ যুবকের তাণ্ডব আরামবাগে! বধূকে নিজের স্ত্রী দাবি করে গেটে লাথি•বন্যা মোকাবিলায় খানাকুলে সচেতনতামূলক মকড্রিল•হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রায় ব্যবসায়ীদের হাতে জাতীয় পতাকা, কোচবিহারে স্বাধীনতা দিবসের আবহ•
রাজ্যে কি তবে জাঁকিয়ে বসা দাদাগিরির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে? ক্ষীরেরতলার রবিবাসরীয় ঘটনা অন্তত সে রকমই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ৭২ নম্বর রুটের যাত্রীবোঝাই বাসে উঠে তাণ্ডব চালানো এবং চালক-কন্ডাক্টরকে মারধরের অপরাধে এক দুষ্কৃতীকে ধরে গণধোলাই দিল ক্ষুব্ধ সাধারণ যাত্রী ও জনতা।
ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার ক্ষীরেরতলা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীবোঝাই একটি ৭২ নম্বর রুটের বাসে হঠাৎ করেই চড়াও হয় তিনজনের একটি দুষ্কৃতী দল। বাসে উঠেই তারা তাণ্ডব চালাতে শুরু করে। চালককে বেধড়ক মারধর করার পাশাপাশি বাসের কাঁচ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এখানেই শেষ নয়, এর পর কন্ডাক্টরের ব্যাগ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করতেই বাসের ভেতরে থাকা সাধারণ যাত্রীদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে।
আর ভয় পেয়ে পিছিয়ে না গিয়ে, অন্যায়ের প্রতিবাদে একজোট হয়ে যান বাসের যাত্রীরা। দুষ্কৃতীদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে দলের দুই দুষ্কৃতী কৌশল করে চম্পট দিতে পারলেও, হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় এক যুবক। এরপরই স্থানীয় ও বাসের ক্ষুব্ধ জনতা তাকে ধরে উত্তম-মধ্যম দিতে শুরু করে।
খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ব্যাটরা থানার পুলিশ। ক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে কোনোক্রমে আহত দুষ্কৃতীকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ বাহিনী।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষীরেরতলা এলাকায় কিছুক্ষণের জন্য চরম উত্তেজনা ছড়ায় এবং সাময়িকভাবে স্তব্ধ হয়ে পড়ে যান চলাচল।
এই ঘটনা স্পষ্ট করে, এলাকায় দাদাগিরি বা তোলাবাজির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ আর মুখ বুজে সহ্য করতে রাজি নয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনতাই এখন সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ গড়ে তুলছে।