Mon, Jun 29, 2026
 Network
Breaking News
কাকদ্বীপে ইলিশের কৃত্রিম প্রজননে আধুনিক RAS ব্যবস্থার উদ্বোধন, গবেষণায় নতুন দিগন্তের সূচনা অবৈধ বালী পাচার রুখে দিল বিজেপি, পানাগড় সেনা ছাউনির সামনে ব্যাপক উত্তেজনা সরকারি মহিলা শৌচাগারের পথ দখলের অভিযোগ, ছাতনা থানায় স্মারকলিপি দিলেন স্থানীয় মহিলারা ঘাটাল থানার সিভিক ভলান্টিয়ারের মানবিকতা, ফিরিয়ে দিল ৪২ হাজার টাকার লটারী রাতের অন্ধকারে এগরায় স্কুলে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য।

বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদের বিরাট পদক্ষেপ! ২০ জনই যোগ দিলেন NCPI-তে

Reporter Sabyasachi By Reporter Sabyasachi June 15, 2026
বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদের বিরাট পদক্ষেপ! ২০ জনই যোগ দিলেন NCPI-তে
শনিবারের সন্ধেয় বিরাট ঘোষণা করলেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। এদিন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাত করেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা। সেখান থেকেই বেরিয়ে এসেই তাদের ঘোষণা, ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া(NCPI)-এর সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন তাঁরা।

এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়া নিয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, আমার তৃণমূলের নির্বাচিত সাংসদ ছিলাম। এআইটিসির সঙ্গে আমাদের যে বিরোধ তা আমরা স্পিকারকে বলেছি। আমরা ২০ সাংসদ সংসদে পৃথক বসার দাবি করেছি। আমরা তৃণমূলের দুই তৃতীয়াংশের বেশি সাংসদ একসঙ্গে রয়েছি। পাশাপাশি আমরা বলেছি যে আমরা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া-র সঙ্গে মিশে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এনডিএর সঙ্গে দেশের উন্নতির জন্য কাজ করব।

অন্যদিকে, সদ্য বিদ্রোহীদের সঙ্গে যোগদানকারী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া-র সঙ্গে মিশে যাচ্ছি। এটি একটি আঞ্চলিক পার্টি। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ,ত্রিপুরা এবং অসমে এই দলের অস্তিত্ব রয়েছে বলে সূত্রের খবর। চার বছর আগে এই দলটি তৈরি হয়।

এর আগে শিবসেনা, এন সি পি-সহ অন্যান্য দলের ভাঙনে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় জটিলতায় আটকে ছিল বিদ্রোহী সাংসদ ও বিধায়কদের ভবিষ্যৎ। এই জটিলতা সম্ভবত থাকল না ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের মিশে যাওয়াতে। ?যখন কোনও রাজনৈতিক দলের দুই তৃতীয়াংশ প্রতিনিধি অন্য কোনও দলে যোগ দেন তখন আইনি জটিলতা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। এককথায় তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে গেল। এবার হয়তো আইনি লড়াই হতে পারে। আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন কীর্তি আজাদ ও সাগরিকা ঘোষ। সেই চিঠিতে ছিল, এভাবে কোনও ব্লক তৈরি করা যাবে না। কারণ সংসদে যদি বিদ্রোহীরা আলাদা বসেন তাহলে তাদের পরিচায় কী হবে? এখন সেই জটিলতা নেই।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ দেবাশিস সাহা বলেন, টেনথ সিডিউলে স্পষ্ট বলা রয়েছে যদি দুই তৃতীয়াংশ প্রতিনিধি যদি কোনও দলে গিয়ে মার্জ করে যান তাহলে তারা দলত্যা বিরোধী আইনে পড়বেন না। মধ্য প্রদেশে এভাবে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন বিধায়করা। তৃণমূলের বিদ্রোহী সংসদের ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা থাকছে না।

এদিকে, বিধানসভাতেও প্রায় ৬০ জনেরও বেশি বিধায়ক বিক্ষুব্ধ হয়েছেন। সেখানে কী হবে? এনিয়ে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায় বলেন, এনিয়ে আলোচনা হবে। আমরাই ওখানে তৃণমূল কংগ্রেস। আশি জন জিতেছেন। তার মধ্যে আমাদের দলে রয়েছেন ৬৪ জন। এই সংখ্যা বাড়বে,