রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল: পিংলায় গঙ্গাজল ছিটিয়ে পঞ্চায়েত অফিস ‘শুদ্ধিকরণ’ বিজেপি নেতৃত্বের•প্রথম দিনেই মুখ্যমন্ত্রীর ঠাসা কর্মসূচি সকাল থেকে নবান্ন সভাঘরে সাজো সাজো রব•সরকারি চাকরি পাওয়ার বয়স পাঁচ বছর বৃদ্ধি, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর•চালু থাকা কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না! ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর, কী ভাবে দেওয়া হবে, স্পষ্ট করলেন তা-ও•কোন মন্ত্রিত্ব পেলেন দিলীপ ঘোষ? অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিকদেরও হয়ে গেল দফতর বণ্টন•
সাগরে ‘ভোট বিপ্লব’! ৯১ শতাংশের নজিরবিহীন ভোটদান; বিক্ষিপ্ত অশান্তি ও ইভিএম বিভ্রাট কাটিয়ে জয়ের পথে ভোটাররাই
By Reporter Sabyasachi April 30, 2026
Share:
সন্দীপ দাস, কাকদ্বীপ:
কড়া নিরাপত্তা আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিশ্ছিদ্র পাহারার মধ্যে দিয়ে সম্পন্ন হলো সাগর বিধানসভার ভাগ্য নির্ধারণ। বুধবার সকাল থেকেই সাগরের প্রতিটি বুথে ছিল উপচে পড়া ভিড়। দু-একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা আর মাঝপথে ইভিএমের যান্ত্রিক গোলযোগ বাদ দিলে গোটা সাগর বিধানসভা জুড়ে উৎসবের মেজাজে ভোট দিলেন সাধারণ মানুষ। দিনের শেষে সাগরে ভোটদানের হার দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ৯১ শতাংশ, যা এই দফার অন্যতম রেকর্ড।
ভোর হতে না হতেই সাগরের দীপাঞ্চল থেকে শুরু করে মূল ভূখণ্ডের ভোটাররা বুথমুখী হন। নারী থেকে বৃদ্ধ সকলের মধ্যেই ছিল প্রবল উৎসাহ। বিশেষ করে নতুন ভোটারদের মধ্যে উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা প্রতি মুহূর্তে বুথের আশপাশে টহল দিয়ে ভোটারদের মনে সাহস জুগিয়েছেন। কমিশনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ফলে কোনো বড়সড় অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোট সম্পন্ন হয়েছে।এদিন সাগর ব্লকের মুড়িগঙ্গা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কোম্পানীছাড় মহেশ্বরী হাইস্কুলের ২২ নম্বর বুথে সকাল থেকে স্বাভাবিকভাবে ভোট চললেও ঠিক বেলা ১২টা নাগাদ হঠাৎ বিকল হয়ে পড়ে ইভিএম মেশিন। সঙ্গে সঙ্গে থমকে যায় ভোটদান প্রক্রিয়া। তপ্ত রোদে প্রায় দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ভোটারদের। বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ভোটদান বন্ধ থাকে।খবর পেয়েই সেক্টর অফিসার ও কারিগরি আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর ইভিএম মেশিনটি মেরামত বা পরিবর্তন করা হলে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটের পর পুনরায় ভোটদান শুরু হয়। যে দুই ঘণ্টা সময় নষ্ট হয়েছিল, সেই কারণে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ওই বুথের ভোটারদের জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। শেষ ভোটারটি ভোট না দেওয়া পর্যন্ত ওই বুথে কড়া পাহারায় ভোট গ্রহণ চলে।
বিকেল গড়াতেই সাগরের অধিকাংশ বুথে ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতা ছিল এই ভোটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।বিক্ষিপ্তভাবে রাজনৈতিক দলের মধ্যে সামান্য বচসা হলেও বড় কোনো হিংসার খবর নেই।