Mon, May 11, 2026
 Network
Breaking News
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল: পিংলায় গঙ্গাজল ছিটিয়ে পঞ্চায়েত অফিস ‘শুদ্ধিকরণ’ বিজেপি নেতৃত্বের প্রথম দিনেই মুখ্যমন্ত্রীর ঠাসা কর্মসূচি সকাল থেকে নবান্ন সভাঘরে সাজো সাজো রব সরকারি চাকরি পাওয়ার বয়স পাঁচ বছর বৃদ্ধি, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর চালু থাকা কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না! ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর, কী ভাবে দেওয়া হবে, স্পষ্ট করলেন তা-ও কোন মন্ত্রিত্ব পেলেন দিলীপ ঘোষ? অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিকদেরও হয়ে গেল দফতর বণ্টন

প্রচারের শেষ দিনে ফ্রেজারগঞ্জে তৃণমূল-বিজেপি বচসা, রুটমার্চ করে এলাকা ফাঁকা করল কেন্দ্রীয় বাহিনী

Reporter Sabyasachi By Reporter Sabyasachi April 28, 2026
প্রচারের শেষ দিনে ফ্রেজারগঞ্জে তৃণমূল-বিজেপি বচসা, রুটমার্চ করে এলাকা ফাঁকা করল কেন্দ্রীয় বাহিনী
সন্দীপ দাস,ফ্রেজারগঞ্জ:
বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের শেষ লগ্নে এসে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার লক্ষ্মীপুর এলাকা। সোমবার প্রচারের শেষ দিনে বাড়ি বাড়ি লিফলেট বিলি করাকে কেন্দ্র করে বচসায় জড়িয়ে পড়ল তৃণমূল ও বিজেপি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রুট মার্চ করে এলাকা ফাঁকা করতে হয়।স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর গ্রামে বিজেপি কর্মীরা দলীয় ইস্তাহার ও লিফলেট বিলি করছিলেন। তৃণমূলের অভিযোগ, সাধারণ লিফলেটের আড়ালে বিজেপি কর্মীরা ‘যুবশক্তি ভরসা কার্ড’ নামক একটি বিশেষ কার্ড বিলি করছিলেন, যেখানে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বেকার যুবকদের মাসে ৩০০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা শ্রীদাম মণ্ডল ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, "কেউ প্রচার করতেই পারে, কিন্তু লিফলেটে টাকার অঙ্ক লিখে কার্ড বিলি করে ভোটারদের সরাসরি প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। এটা নির্বাচনী বিধিভঙ্গ। আমরা খবর পেয়ে প্রতিবাদ করেছি।"সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে স্থানীয় বিজেপি নেতা বিশ্বেশ্বর প্রামাণিক বলেন, "আমরা শুধুমাত্র আমাদের নির্বাচনী ইস্তাহার নিয়ে প্রচার করছিলাম। তৃণমূল পরাজয় নিশ্চিত জেনে আমাদের প্রচারে বাধা দিতে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ওরা আমাদের আটকে রেখেছিল।"ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় পৌঁছায় ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশ। দুই পক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন আধিকারিকরা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই এলাকায় পৌঁছায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর একটি টহলদারি টিম। জওয়ানরা এলাকায় রুট মার্চ শুরু করতেই কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ভিড় সরে যায়।