রাহুল প্রধানমন্ত্রী হলে আপত্তি নেই, ‘ইগো’ ভুলে INDIA জোটে বার্তা মমতার•নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: মোতায়েন ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৭০০ পুলিশ কর্মী•আজ থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু ‘সেবা সেতু অভিযান’, ব্লকে ব্লকে তৎপর প্রশাসন।•উৎসবের শুরুতেই ধাক্কা: কলকাতায় এক লাফে ৭০ টাকা বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম, মধ্যবিত্তের স্বস্তি রান্নার গ্যাসে•পিংলায় আবগারি দফতরের যৌথ অভিযান, নষ্ট ৩০০ লিটার চোলাই মদ তৈরির উপকরণ•
১৫ ঘণ্টা ৫১ সেকেন্ডে উত্তাল ক্যাটলিনা জয়: অদম্য জেদে সমুদ্র জিতে ইতিহাস গড়লেন মেদিনীপুরের আফরিন
By By The News Express September 24, 2026
Share:
বিশেষ সংবাদদাতা, মেদিনীপুর:
সমস্ত প্রতিকূলতা ও সমুদ্রের উত্তাল ঢেউকে হার মানিয়ে আরও এক অনন্য ইতিহাস রচনা করলেন মেদিনীপুরের অদম্য সাঁতারু আফরিন জাবি। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলের অত্যন্ত দুর্গম ও বিপজ্জনক হিসেবে পরিচিত 'ক্যাটলিনা চ্যানেল' সাঁতরে পার হলেন তিনি। এই দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর সমুদ্রপথ অতিক্রম করতে আফরিনের সময় লেগেছে ১৫ ঘণ্টা ৫১ সেকেন্ড। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্যে গর্বিত গোটা বাংলা তথা ভারতবর্ষ।
ক্যালিফোর্নিয়ার সান পেড্রো থেকে শুরু হওয়া প্রায় ৩২ কিলোমিটার দূরত্বের এই চ্যানেলটি বিশ্বের ওপেন ওয়াটার সাঁতারুদের কাছে এক অন্যতম বড় পরীক্ষা। প্রশান্ত মহাসাগরের তীব্র কনকনে ঠান্ডা জল, প্রবল স্রোত এবং রাতের অন্ধকারের মতো কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে তিনি এই অভিযান সফল করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী রাতের বেলাতেই তিনি জলে নেমেছিলেন এবং একটানা লড়াই চালিয়ে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছান।
অর্জনের সংক্ষিপ্ত হাইলাইটস:
* দূরত্ব ও সময়: ক্যালিফোর্নিয়ার সান পেড্রো থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ ক্যাটলিনা চ্যানেল পার করতে সময় লেগেছে ১৫ ঘণ্টা ৫১ সেকেন্ড।
* কঠিন চ্যালেঞ্জ: প্রশান্ত মহাসাগরের কনকনে ঠান্ডা জল, প্রবল স্রোত এবং রাতের অন্ধকারের বিরুদ্ধে একটানা লড়াই।
* পূর্বের গৌরবময় রেকর্ড:
* গত বছরের ২৯ জুলাই সফলভাবে ইংলিশ চ্যানেল জয়।
* গত ৯ মে মাত্র ৭ ঘণ্টা ৫ মিনিটে পক প্রণালী অতিক্রম করে দ্রুততম ভারতীয় মহিলা সাঁতারুর রেকর্ড।
ইংলিশ চ্যানেল ও পক প্রণালীর পর এবার ক্যাটলিনা চ্যানেল জয় করে তিনি নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিলেন। ১৫ ঘণ্টা ৫১ সেকেন্ডের এই ম্যারাথন লড়াইয়ে সমুদ্রের প্রতিকূলতাকে বশ মানিয়ে আফরিনের এই জয় তরুণ প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের কাছে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। মেদিনীপুরের এই কৃতি কন্যার সাফল্যে তাঁর পরিবার ও রাজ্যজুড়ে ক্রীড়ামহলে বইছে খুশির জোয়ার।